পঁচিশ বছরেরও বেশী পুরোন আমাদের 'ঠেক' - যার শুরু বেহালা-র 'অজন্তা' সিনেমা হলের কাছে এক marketplace-র পিছনে দু-ধাপ সিঁড়ির ওপরে - আজ Internet-e। নতুন পরিসরে, নতুন কলেবরে।
Sunday, 1 January 2012
রায সাহেবের পাঠানো মেল থেকে: ১লা জানুয়ারী, ২০১২
তোমার আমার আকাশে
চাঁদের হাসি যতই হোক না ক্লান্ত /
বৃষ্টি নামুক নাই বা নামুক
ঝড় উঠুক নাইবা উঠুক
ফুল ফুটুক নাই বা ফুটুক
আজ বসন্ত //
দিনটা হোক না যতই মেঘলা
ঘরে থাকবো না পরে একলা
চল বেড়িয়ে পড়ি যেদিকে দু চোখ যায় /
কেউ জানুক নাইবা জানুক
কেউ মানুক নাইবা মানুক
আমি লিখব স্বপ্ন আমার কবিতায় /
যে যা বলে বলুক
গান চলুক নাইবা চলুক
হোক না সময় যতই ভারাক্রান্ত......।
বৃষ্টি নামুক নাই বা নামুক
ঝড় উঠুক নাইবা উঠুক
ফুল ফুটুক নাই বা ফুটুক
আজ বসন্ত //
কথা: অন্জন দত্ত, গাযক: অনিন্দ্য
Tuesday, 29 November 2011
কোলার ই-মেল-এর ctrlC ও ctrlV
Message Body
তাঁর সব সময়ের সঙ্গী, যেটা দিয়ে মুখ ঢেকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতেন, সেই সবুজ গামছটা ছিল না। মুখটা তাই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। শরীরটা মুড়ে দেওয়া হয়েছিল লাল শালুতে। অন্ধ্রপ্রদেশের করিমনগর জেলার পেড্ডাপল্লিতে, বিশাল মাঠে যে চিতা জ্বলে উঠল রবিবার বিকেলে, তাতেই ছাই হয়ে গেল লাল শালু ঢাকা শরীরটা।
শেষ হয়ে গেল মাল্লোজুলা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির অধ্যায়। -Anandabajar
*********************************************************
ডান দিকের চোখের জায়গাটা খালি। নীচের চোয়ালের বেশির ভাগটাই উড়ে গিয়েছে। মাথার ডান দিকে আঘাতের চিহ্ন। শুধু সামনের দাঁতের উঁচু পাটি থেকেই চেনা যাচ্ছে। ভারভারার অভিযোগ, “গুলিতে তিনি মরেননি। বেয়নেটে খুঁচিয়ে মারা হয়েছে। ডান চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছে। ইলেকট্রিক হিটারের উপরে দেহ ফেলে অত্যাচার করা হয়েছে। তাই পা দু’টো কালো হয়ে গিয়েছে। বাঁ পায়ের তলার দিক কেটে বাদও দিতে হয়েছে।” -**********************************************************
পেড্ডাপল্লির বাড়িতে ভিড়ের মধ্যে এ দিনও দেখা গিয়েছে জগন্মোহন সিংহকে। কিষেণজি-র ছোটবেলার বন্ধু, অনুগামী। তেলেঙ্গানা ও মাওবাদী-আন্দোলনের সঙ্গী। সকাল থেকেই জনতাকে ফুল সরবরাহ করছিলেন। বিকেলে সেই জগনকেই দেখা গেল, একা-একা প্রিয় বন্ধুর চিতায় কেরোসিন ছিটিয়ে চলেছেন। কাছে যেতে চোখ মুছে বললেন, “জানেন, ও বলত, কমিউনিস্ট হওয়াটা বড় কথা নয়। কমিউনিস্ট জীবনচর্যাটাই বড় কথা। আর কমিউনিস্ট হিসেবে মৃত্যু আরও বড়।” গলা বুজে এল তাঁর।-Anandabajar
| ||
| Vebechhilam Du fota chokher jol felbo...jol niye gelo ei lekhata;;; Kishanji-der janya o toh ank pran beghore gelo |
Saturday, 19 November 2011
কোলার ই-মেল থেকে তুলে আনা (১৯শে নভেম্বর, ২০১১)
আজও ভর দুপুরে আমি জংগলে যাই, নদীর ধারে শুয়ে
হাল্কা ডানায় ভেসে যাওয়া মেঘকে উদাস চোখে দেখি,
এরা কেউ নয়;
তোমার শরীরে শ্রাবণের প্লাবন আনত যে মেঘ,
তাকে আমি আমার সাদা চুলের আকাশে বন্দী করে রেখেছি।
কথা ছিল তুমি এলে অভ্রকুচির মালা গেঁথে
তোমার গলায় পরিয়ে দেব।
জলভরা মেঘ আজও নিশ্চিন্তে ঘুমায় --
তুমি কখনও আসবে না সে জানে।
তুমি লুট হয়ে গেছ আজ পঁচিশ বছর!
হঠাত্ কালবৈশাখীর ঝড়ে
এক ফোঁটা বৃষ্টি তবু কি অসীম বাসনায় বাতাসে ভাসে
অতল সাগরে এক ঝিনুকের উন্মুক্ত গহ্বরে ঝরে প'ড়ে মুক্তো হবে ব'লে।
আজও শরতের শিশির ঝরে শিউলির ওপর,
পদ্মপাতা থেকে ধানের শিষ, ভোরের আলোয় সব ভিজে লাগে,
সেই শেষ শিশিরে অগুন লেগেছিল যখন--
আমার সামনে নগ্ন পায়ে তুমি ঘাসের ওপর চকিতে চলেছিলে,
খসে যাওয়া শাড়ীর আঁচলখানি তুলে,
আজ রূপালী রোদের তেজ-ও শিশিরের বুকে ম্রিয়মান,
কেবল চরাচর জুড়ে লক্ষ কাঁচের ভাংগা টুকরো,
আমার পঁচিশ বছর আগের ভাংগা মনের গুঁড়ো আয়না,
প্রতি শরতের শিশির হয়ে ঝরে কেন, কে জানে?
স্বপ্ন ছিল --- তোমার চোখের তারায় আলো হয়ে জ্বলব,
তোমার মনের আকাশে নগ্ন বিহংগের নির্লাজ ডানা মেলে,
তোমার নির্দাগ সিঁথির নিষ্কলংক চাঁদ কেবল আমি-ই শুধু ছোঁব,
ষড়রিপুর এস্রাজে রাগ ছিল শুধু তুমি,
রিপুতে রিপুতে যৌবনগীতের সুরসংগীত তুমি,
নীলনির্জনে নিবিড় আলিংগনে তোমায় চুরমার করে দেওয়ার দুরভিসন্ধি ।
প্রতি মুহূর্তে হেরে গেছে তোমার মায়াবী চোখের এক পলকের চাহনিতে,
নির্বাক মুখে তোমার শান্ত দৃষ্টির কষাঘাত ... ওটাই সান্তনা,
বাকী ভালবাসার ইতিহাস ... আজ শুধুই যন্ত্রণা।