Saturday, 29 March 2014

গৌতমের গোড়ালিচ্যুতিতে কোলার মন-কোলাজ

ছোটকন, তৃতীয়বার পা ভাংগার পর বাড়ীতে বসে। সংযুক্তার নজরে থেকে সুস্হ হয়ে উঠছে যদিও, কিন্তু স্বভাবত:ই মন খারাপ। রীতিমত দৌড়ঝাঁপ করে কাটানো বাল্য, কৈশোর ও যৌবন যার সে বিছানায় বন্দী থেকে হাঁপিয়ে যাবে, তা তো স্বাভাবিক। আমরা যারা ঠেকের জনতা, যে যেরকম পারি, শুকনো কিছু 'তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে ওঠ ভাই' জাতীয় কথা ফেসবুকে গুঁজে দিয়েছিলাম। এর বেশী সত্যি কি বা করতে পারতাম!

কোলা অবশ্য ওর জাহাজী মেজাজে থাকার দৌলতে ফাঁক পেলেই পেন চালায়। কবিতা নামানো ওর কাছে জলভাত। ছোটকনের স্টীলবিদ্ধ পায়ের কথা ভেবে আর ওর যন্ত্রণাবিদ্ধ মুখের কথা ভেবে লিখে ফেলল:

তোমায় দিলাম
ছায়ামোড়া পথ
অদূরে আকাশ
মেঠো রাজপথ।
হাল্কা বৃষ্টি
হঠাত হাওয়া
মনের সাথে মন
ভেসে যাওয়া।
চেতনা যত ছিল
তোমার বুকে
আমার হৃদয়ে তারা
থাকুক সুখে।
খোলা চুল তার বাতাসে মিলায়
ঢেউ ফেটে প'ড়ে, আঁচল উড়ায়,
অচেন আশায় চোখ তুলে চায়,
মন কি আমায় সাথে নেবে না?

-- শ্রী অমিত 'কোলা' সেন!
২৯শে মার্চ, ২০১৪


Wednesday, 28 November 2012

সেনসাহেবের ডাইরী থেকে

সুজয়ের ডাইরী থেকে পাওয়া কবিতা, সংগ্রাহক কোলা। কবে, কোথায় লেখা হয়েছিল কোলা জানায়নি।

হাজার বছর ধরে আমি নেশা করিয়াছি,
পৃথিবীর পথে-ঘাটে অথবা নদীর নরম পলি তে,
সিংহল সমুদ্র থেকে হিমালয় পাদদেশে
পার্ক স্ট্রীট এর আলো-আঁধারীর অলি-গলিতে।

{
গেছিলাম সায়েন্স কলেজে খুঁজতে শান্তি
পাই নি সেই কালো হরিণ চোখে,
ফিরে এসে গেছিলাম বোতল নিয়ে বসে।
}                                                 সন্জীবের সংযোজন

রাম, হুইস্কি, বাংলা অথবা চুল্লুর ধূসর জগতে
সেখানেও আছি আমি
আরো দূর অন্ধকার খালপাড়ে আমি ক্লান্তপ্রাণ এক মাতাল
চারিদিকে জীবন-উন্মাদ নেশার কোলাহল,
আমায় দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল শকুন্তলার ছুঁয়ে দেওয়া
একটি ঠান্ডা বীয়ারের বোতল।

Saturday, 24 November 2012







দোর্দন্ডপ্রতাপ সেনসাহেবের সাথে ওনার কাশ্মীরযাত্রার প্রাক্বালে, কলকাতা এয়ারপোর্টে। ওনার সিকিউরিটি স্টাফদের অনেক অনুনয় করার পর অনুমতি মিলেছিল।

ভিতরের খবর: এক্সট্রা মালের জন্য ভাড়া গুনতে হয়েছিল ওনাকে, যার শতকরা ৭০ ভাগ ছিল বিভিন্ন ধরনের মালের বোতল!